চ্যালেঞ্জ
একটা দোকানের দরকার ছিল নিজের WordPress-এর ভেতরেই একটা ঠিকঠাক POS। বারকোড স্ক্যানার দিয়ে কাউন্টারে দ্রুত চলতে হবে, স্টক আর বকেয়ার হিসাব রাখতে হবে, আর এমন সহজ হতে হবে যে WordPress কখনো না দেখা ক্যাশিয়ারও চালাতে পারেন।
সমাধান
এটা একটা আলাদা প্লাগইন হিসেবে লিখেছি, নিজস্ব ডাটাবেস টেবিল আর প্রতিটা কাজের আলাদা পেজসহ: নতুন বিক্রি, প্রোডাক্ট, ক্রয়, রিটার্ন, বিক্রির হিসাব, কাস্টমার, সাপ্লায়ার, খরচ, রিপোর্ট, ইউজার আর সেটিংস। স্ক্রিনগুলো AJAX দিয়ে লোড ও সেভ হয়, তাই প্রতিটা আইটেমের মাঝে পেজ রিলোডের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না।
আমার সবচেয়ে পছন্দের অংশ হলো application mode। POS রোলের কেউ লগইন করলে WordPress-এর মেনু, অ্যাডমিন বার আর নোটিশ সব চলে যায়, আর অন্য অ্যাডমিন পেজে গেলে আবার POS-এ ফিরে আসে। ক্যাশিয়ারের কাছে এটা একটা ডেস্কটপ অ্যাপের মতোই লাগে। রোল তিনটা, admin, manager আর cashier, আর প্রত্যেকে শুধু নিজের দরকারি অংশ দেখেন।
JsBarcode দিয়ে প্লাগইন থেকেই বারকোড লেবেল প্রিন্ট হয়। পুরোনো ডেটা importer বা SQL import দিয়ে আনা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে প্লাগইনের টেবিলগুলোর ব্যাকআপ একটা সুরক্ষিত ফোল্ডারে জমা হয়, আর সেই ফাইল শুধু অ্যাডমিন থেকেই ডাউনলোড করা যায়।
ফলাফল
- POS চলে দোকানের নিজের WordPress আর ডাটাবেসে
- ক্যাশিয়ার পরিষ্কার একটা অ্যাপে কাজ করেন, WordPress দেখতেই পান না
- স্টক, ক্রয়, রিটার্ন আর বকেয়া সব এক জায়গায়
- কারো মনে রাখা ছাড়াই প্রতিদিন ব্যাকআপ হয়